Thursday, December 31, 2015

নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে খাগড়াছড়ির জঙ্গলে বৈঠক করলেন উলফা সামরিক প্রধান পরেশ বড়ুয়া

উলফা (স্বাধীন) সামরিক প্রধান পরেশ বড়ুয়া

পার্বত্যনিউজ ডেস্ক : দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি উত্তর-পূর্ব ভারতের বিচ্ছিচ্ছন্নতাবাদী সংগঠন উলফা (স্বাধীন) সামরিক প্রধান পরেশ বড়ুয়া খাগড়াছড়ির কচুছড়ায় গোপন বৈঠক করেছেন- এমন খবর দিয়েছে অসামের প্রভাবশালী বাংলা দৈনিক যুগশঙ্খ।
মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর, ২০১৫) ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়েছে, নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির প্রতি অনেক বিজিবি কর্তার কিঞ্চিৎ নরম মনোভাবও রয়েছে।

Sunday, December 27, 2015

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
[ বিস্‌মিল্লাহির-রহ্‌মানির রহিম
(দয়াময়, পরম দয়ালু, আল্লাহের নামে)/

পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে।]


প্রস্তাবনা

আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া [ জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের] মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি; 

স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯

স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯
( ২০০৯ সনের ৫৮ নং আইন )
  [অক্টোবর ৬, ২০০৯]
পৌরসভা সংক্রান্ত বিদ্যমান অধ্যাদেশ রহিত করিয়া একটি নূতন আইন প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন
 
যেহেতু পৌরসভা সংক্রান্ত বিদ্যমান অধ্যাদেশ রহিত করিয়া একটি নূতন আইন প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইলঃ-

ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯

ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯
( ২০০৯ সনের ৬ নং আইন )
  [ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০০৯ ]

ভোটার তালিকা প্রণয়ন সংক্রান্ত প্রচলিত আইনের সংশোধন ও আধুনিকীকরণকল্পে প্রণীত আইন
 
                 যেহেতু ভোটার তালিকা প্রণয়ন সংক্রান্ত প্রচলিত আইনের সংশোধন ও আধুনিকীকরণ সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

                 সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :-

পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি-বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন, ২০০১

পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি-বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন, ২০০১
( ২০০১ সনের ৫৩ নং আইন )
  [১৭ জুলাই, ২০০১]

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের ভূমি সংক্রান্ত কতিপয় বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে একটি কমিশন গঠন ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন৷
 

যেহেতু পার্বত্য চট্টগ্রাম অনগ্রসর উপজাতি অধ্যুষিত অঞ্চল এবং অনগ্রসর অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা বিধেয়; এবং 

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড আইন, ২০১৪

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড আইন, ২০১৪
( ২০১৪ সনের ৮ নং আইন )
  [৮ জুলাই, ২০১৪]

Chittagong Hill Tracts Development Board Ordinance, 1976 রহিতপূর্বক সংশোধনসহ উহা পুনঃপ্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন
 
যেহেতু Chittagong Hill Tracts Development Board Ordinance, 1976 (Ordinance No. LXXVII of 1976) রহিতপূর্বক সংশোধনসহ উহা পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; 

জেলা পরিষদ আইন, ২০০০

জেলা পরিষদ আইন, ২০০০
( ২০০০ সনের ১৯ নং আইন )
  [৬ জুলাই, ২০০০]
জেলা পরিষদ সংক্রান্ত আইন রহিত করিয়া সংশোধনীসহ উহা পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন৷
 

যেহেতু জেলা পরিষদ সংক্রান্ত আইন রহিত করিয়া সংশোধনীসহ উহা পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্্নরূপ আইন করা হইল:-

Saturday, December 26, 2015

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন, ২০১০


ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন, ২০১০
( ২০১০ সনের ২৩ নং আইন )
  [এপ্রিল ১২, ২০১০ ]

বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অনন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আঞ্চলিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বিকাশের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯
( ১৯৮৯ সনের ২০ নং আইন )
  [৬ মার্চ, ১৯৮৯]
  
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা [ * * *] পরিষদ স্থাপনকল্পে প্রণীত আইন৷
 

যেহেতু খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা বিভিন্ন অনগ্রসর উপজাতি অধ্যুষিত একটি বিশেষ এলাকা বিধায় উহার সর্বাংগীন উন্নয়নকল্পে উহার জন্য একটি পরিষদ স্থাপনের বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; 

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯
( ১৯৮৯ সনের ২১ নং আইন )
  [৬ মার্চ, ১৯৮৯]
[ বান্দরবান] পার্বত্য জেলা [ * * *] পরিষদ স্থাপনকল্পে প্রণীত আইন৷
 
যেহেতু বান্দরবান পার্বত্য জেলা বিভিন্ন অনগ্রসর উপজাতি অধ্যুষিত একটি বিশেষ এলাকা বিধায় উহার সর্বাংগীন উন্নয়নকল্পে উহার জন্য একটি পরিষদ স্থাপনের বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১


রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১
( ২০০১ সনের ৩৯ নং আইন )
  [১৫ জুলাই, ২০০১]
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনকল্পে প্রণীত আইন৷
যেহেতু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান প্রাগ্রসর বিশ্বের সঙ্গে সঙ্গতিরক্ষা ও সমতা অর্জন এবং জাতীয় পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা ও আধুনিক জ্ঞানচর্চা, বিশেষ করিয়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যথাযথ গুরুত্ব প্রদানসহ,

রাংগামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯






রাংগামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯
( ১৯৮৯ সনের ১৯ নং আইন )
[৬ মার্চ, ১৯৮৯]

 রাংগামাটি পার্বত্য জেলা [ * * *] পরিষদ স্থাপনকল্পে প্রণীত আইন৷

Saturday, December 19, 2015

পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী বাসিন্দা সনদ বিতর্কের অবসান

১৭ ডিসেম্বর ২০১৫ 
দৈনিক ইনকিলাবে প্রকাশিত প্রবন্ধ
সৈয়দ ইবনে রহমত ::
 পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী বাসিন্দা সনদপত্র প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ নিয়ে একটি বিতর্ক আছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম জন সংহতি সমিতির চেয়ারম্যান সন্তু লারমার দাবি হলো, পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী বাসিন্দা সনদপত্র প্রদানের কর্তৃত্ব জেলাপ্রশাসকদের কাছ থেকে নিয়ে সার্কেল চীফদের হাতে দেওয়া হোক। এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, জেলা প্রশাসকদের হাতে স্থায়ী বাসিন্দার সনদপত্র প্রদানের কর্তৃত্ব থাকায় সমতলের বাসিন্দারাও তা পেয়ে যাচ্ছে। আর সেটা বন্ধ করতেই স্থায়ী বাসিন্দার সনদপত্র প্রদানের কর্তৃত্ব সার্কেল চিফদের হাতে দিতে হবে (যদিও অন্তরে ভিন্ন পরিকল্পনা আছে বলে ধারণা করা যায়)। সন্তু লারমার এই দাবি পূরণে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তৎপরতাও চোখে পড়ার মতো। কিন্তু

Sunday, December 13, 2015

পার্বত্য জেলাসমূহ (আইন রহিত ও প্রয়োগ এবং বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৮৯


পার্বত্য জেলাসমূহ (আইন রহিত ও প্রয়োগ এবং বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৮৯
( ১৯৮৯ সনের ১৬ নং আইন )
  [২ মার্চ, ১৯৮৯]
 
Chittagong Hill Tracts Regulation, 1900 রহিত এবং পার্বত্য জেলাসমূহে কতিপয় প্রচলিত আইনের প্রয়োগ ও উক্ত জেলাসমূহের জন্য কিছু বিশেষ বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন৷

পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইন, ১৯৯৮

পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইন, ১৯৯৮
( ১৯৯৮ সনের ১২ নং আইন )
  [২৪ মে, ১৯৯৮]
 
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ স্থাপনকল্পে প্রণীত আইন৷


যেহেতু পার্বত্য চট্টগ্রাম অনগ্রসর উপজাতি অধ্যুষিত অঞ্চল, এবং অনগ্রসর অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা বিধেয়; এবং

পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদ আইন বাতিল ঘোষণা হাইকোর্টের

পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইন অসাংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। রাষ্ট্রের একক চরিত্র ক্ষুণ্ন করা ও সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আঞ্চলিক পরিষদ কোনো স্থানীয় সরকারব্যবস্থা নয়, এবং এ আইনে পরিষদকে প্রশাসনিক বিভাগ হিসেবে সংজ্ঞায়িত না করা—এ অভিমত দিয়ে আদালত আইনটি অসাংবিধানিক ঘোষণা করেন।

আঞ্চলিক পরিষদ অবৈধ: হাইকোর্ট

বাংলাদেশে হাইকোর্ট পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির আওতায় গঠিত পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছে। তবে হাইকোর্টের এই রায়ে শান্তি চুক্তির প্রশ্নে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। ফলে শান্তি চুক্তি বহাল রইলো বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। শান্তি চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা দুটো রীট আবেদনের ওপর হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল ২০১০ইং) এই রায় দিয়েছে। হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে,

Saturday, December 5, 2015

শান্তি চুক্তির দেড় যুগ : চতুর্মুখী সঙ্কটের আবর্তে পার্বত্য চট্টগ্রাম



ginipig_1322816587_1-cht-accord_1997
সৈয়দ ইবনে রহমত : পার্বত্য শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের ১৮ বছর পূর্তিতেও তথা দেড় যুগ পরেও কাঙ্ক্ষিত শান্তি আসেনি, বরং চতুর্মুখী সঙ্কট ঘনিয়ে আসছে পার্বত্য চট্টগ্রামকে ঘিরে। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন চক্র কাজ করছে বাংলাদেশের এক দশমাংশ এই পার্বত্যাঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে ফায়দা লুটতে। তাছাড়া, চুক্তির কতটি ধারা বাস্তবায়িত হয়েছে তা নিয়েও চলছে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব স্বাক্ষরকারী পক্ষদ্বয়ের মধ্যে। সরকারি ভাষ্য মতে, 

Friday, December 4, 2015

আসামকে বাংলাদেশের অংশ বানানোর ষড়যন্ত্র চলছে : রাজ্য প্রেসিডেন্ট

নবনিযুক্ত ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) আসাম রাজ্য প্রেসিডেন্ট সর্বানন্দ সোনোয়াল দাবি করেছেন, আসামকে বাংলাদেশের অংশ করার ষড়যন্ত্রে মেতেছে কংগ্রেস এবং সর্বভারতীয় সংযুক্ত গণতান্ত্রিক মোর্চা (এআইইউডিএফ)। আর বিজেপির জনপ্রিয়তা বেড়ে যাওয়ায় ভয় পাচ্ছে কংগ্রেস।

Sunday, November 29, 2015

শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের দায় কি সরকারের একার?


আফরিনা হক::

পাবর্ত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈ সিং বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে ৪৮টি ধারা ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হয়েছে। তিনি সংসদে সরকারি দলের সদস্য আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইনের এক প্রশ্নের জবাবে আরো বলেন, শান্তি চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে ১৫টি ধারা আংশিক বাস্তবায়িত হয়েছে এবং ৯টি ধারার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটির সাথে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর এই চুক্তি স্বারিত হয়। চুক্তিটি ৪টি খণ্ডে বিভক্ত ‘ক’ খন্ডে ৪টি, ‘খ’ খন্ডে

কি ঘটবে পার্বত্য ভূমি কমিশন আইন সংশোধন প্রস্তাব কার্যকর হলে?



সৈয়দ ইবনে রহমত ::
ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রবল বিরোধীতা সত্বেও গত ২৭ মে, ২০১৩ কেবিনেটে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এক মিটিংয়ে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন ২০০১’-এর ৬টি ধারা সংশোধনের খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। ফলে ভূমির মালিকানা হারিয়ে উদ্বাস্তু হতে যাচ্ছে পার্বত্যাঞ্চলে বসবাসরত বাঙালি লাখ লাখ পরিবার। কেননা পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে বাঙালিদের উচ্ছেদ করার পরিকল্পনারই অংশ হিসেবেই পার্বত্য ভূমি কমিশন আইনের এ সংশোধনী আদায় করেছে জেএসএস। এই সংশোধনী কার্যকর হলে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙালিদের জীবনে যে ভয়াবহ পরিস্থিতি

পার্বত্য চুক্তিতে জাতিগত বৈষম্যসমূহ


সৈয়দ ইবনে রহমত ::
দীর্ঘ প্রায় তিন দশকের বিচ্ছিন্নতাবাদি রক্তক্ষয়ী আন্দোলন দমানোর লক্ষ্যে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। এ চুক্তিটিকে এর দু’পক্ষ তথা জনসংহতি সমিতি এবং আওয়ামী লীগ সরকার শান্তিচুক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করে জোর প্রচার চালায়। তাদের এই প্রচারে যুক্ত হয় তাদেরই অনুগত এবং সহমত পোষণকারী কতিপয় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজনৈতিক দল। অন্যদিকে তৎকালীন বিরোধী দল বিএনপি (যদিও পরে ক্ষমতায় এসে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে) এবং সমমনা রাজনৈতিক দল, পার্বত্যবাসী বাঙালিসহ সারা দেশের সাধারণ জনগণ এই পার্বত্য চুক্তিকে ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করে কালো চুক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করে।

রাঙ্গামাটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় চাই সরকারের আন্তরিকতা

সৈয়দ ইবনে রহমত : 
রাঙ্গামাটিতে একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার পদক্ষেপ নিয়ে সরকার তা দশ বছরেও বাস্তবায়ন করতে পারছে না। এটা খুবই দুঃখজনক। আরো অবাক করার বিষয় হচ্ছে যে কিছু পাহাড়ি নেতার বিরোধীতার কারণে বারবার আটকে যাচ্ছে এ প্রকল্পের কাজ। শুধু রাঙ্গামাটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেই যে বাধা আসছে তাই নয়, এ অঞ্চলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে পাহাড়ি নেতাদের বাধা দেয়াটা বৃটিশ আমল থেকেই রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। বিষয়টি সহজে অনুধাবনের জন্য কিছু বিষয় আলোকপাত করা প্রয়োজন।

পার্বত্য চুক্তির ১৮ বছর পূর্তি উপলক্ষে পার্বত্য জনসংহতি সমিতির মূল্যায়ন






পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ১৮তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের উপর পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সংবাদ সম্মেলন



প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ১৮তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন।

আপনারা জানেন যে, বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরের পর দীর্ঘ ১৮ বছর অতিক্রান্ত হতে চলছে। সরকার দাবি করছে যে, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে ৪৮টি ধারা ইতিমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। বস্তুত ৭২টি ধারার মধ্যে মাত্র

Saturday, November 14, 2015

অনুপ চেটিয়াকে ছাড়া শান্তি আলোচনায় আগ্রহী নয় উলফা




 
অনুপ চেটিয়াআসামের জঙ্গি সংগঠন উলফার সঙ্গে কেন্দ্রের শান্তি আলোচনা ঘিরে সংশয় দেখা দিয়েছে। সংগঠনের নেতারা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানাবেন, গোলাপ বড়ুয়া ওরফে অনুপ চেটিয়াকে ছাড়া তাঁরা শান্তি আলোচনায় যোগ দিতে আগ্রহী নন। শীর্ষস্থানীয় উলফা নেতা শশধর চৌধুরী গতকাল শুক্রবার প্রথম আলোকে এ কথা জানান। চলতি মাসের ২৪ তারিখে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং ও স্বরাষ্ট্রসচিব রাজীব মহর্ষির সঙ্গে উলফা নেতাদের সপ্তম দফার বৈঠক হওয়ার কথা।

Friday, November 13, 2015

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শান্তি প্রক্রিয়া গতি পাবে



ভিকি নানজাপ্পা
ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসাম তথা উলফা নেতা অনুপ চেটিয়াকে নিজেদের হাতে পাওয়ার মধ্য দিয়ে ভারতের জন্য একটি বড় কূটনৈতিক বিজয় অর্জিত হয়েছে। অনুপ চেটিয়া ওরফে গোলাপ বড়ূয়া এর আগে ১৭ বছর বাংলাদেশে কারাবন্দি জীবন কাটিয়েছেন এবং শেষ দিকে তিনি সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেছিলেন। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের

Friday, November 6, 2015

বিরতিহীন অনশনের পনের বছর


AFSPA- Armed Forces Special Powers Act-1958 (সেনা বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৫৮)।

Thursday, November 5, 2015

গারো পাহাড়ে সেনা বাহিনীকে বিশেষ ক্ষমতা দিচ্ছে ভারত সরকার




Meghalaya
মেঘালয়ের গারো পাহাড়ে AFSPA- Armed Forces Special Powers Act-1958 (সেনা বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৫৮) প্রয়োগের সুপারিশ নিয়ে বিবেচনা করছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়। বিশেষ করে সেখানে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় শীঘ্রই কঠোর আইন প্রয়োগ করতে পারে। খবর : দৈনিক যুগশঙ্খ।

Sunday, November 1, 2015

`উপজাতি' হিসেবে স্বীকৃতি না পেলে গণহারে আত্মাহুতির হুমকি


পার্বত্যনিউজ ডেস্ক : তফশিলি `উপজাতি' স্বীকৃতি ও পৃথক কামতাপুর (কামতাপুরি ভাষাভাষী অধ্যুষিত উত্তর-পূর্ব ভারতের উত্তরবঙ্গ, অসম ও বিহারের কিছু অংশ নিয়ে) রাজ্যের দাবিতে গত ৩১ অক্টোবর শনিবার গোটা কোকরাঝাড় উত্তাল করে তুলে সারা কোচ রাজবংশী ছাত্র সংস্থার (আক্রাসু) হিতেশ্বর বর্মন জনগোষ্ঠী। খবর, দৈনিক যুগশঙ্খের।

Thursday, October 29, 2015

বাংলাদেশের ব্যাপারে উত্তর-পূর্ব ভারতের 'মাইন্ডসেট' পরিবর্তন দরকার- অধ্যাপক সঞ্জয় হাজারিকা



অধ্যাপক সঞ্জয় হাজারিকা নয়াদিলি্লভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার সেন্টার ফর নর্থ-ইস্ট স্টাডিজ অ্যান্ড পলিসি রিসার্চের পরিচালক হিসেবে ২০০৯ সাল থেকে এবং ম্যানেজিং ট্রাস্টি হিসেবে ২০০০ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ১৯৮১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত নিউইয়র্ক টাইমসের দক্ষিণ এশিয়া ব্যুরোতে সাংবাদিকতা করেছেন। অধ্যাপক হাজারিকা নীতি বিশ্লেষক ও তথ্যচিত্র নির্মাতা হিসেবেও সুপরিচিত। এ ছাড়া তিনি সানডে গার্ডিয়ানের পরামর্শক সম্পাদক এবং ডাউন টু আর্থ ম্যাগাজিনের প্রকাশক সোসাইটি ফর ডেভেলপমেন্ট কমিউনিকেশনের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান।  সাক্ষাৎকার গ্রহণ: শেখ রোকন

Tuesday, March 31, 2015

পার্বত্য চুক্তিতে বৈষম্যের শিকার বাঙালি জনগোষ্ঠী



সৈয়দ ইবনে রহমত ::

দীর্ঘ প্রায় তিন দশকের বিচ্ছিন্নতাবাদি রক্তক্ষয়ী আন্দোলন দমানোর লক্ষ্যে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। এ চুক্তিটিকে এর দু’পক্ষ তথা জনসংহতি সমিতি এবং আওয়ামী লীগ সরকার শান্তি চুক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করে জোর প্রচার চালায়। তাদের এই প্রচারে যুক্ত হয় তাদেরই অনুগত এবং সহমত পোষণকারী কতিপয় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র  রাজনৈতিক দল।

Saturday, March 28, 2015

পার্বত্য সংকট ও রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজ প্রসঙ্গ



 সৈয়দ ইবনে রহমত
গত ১৮ মার্চ ২০১৫ স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম দ্রুত রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজে ক্লাস শুরুর নির্দেশ দেন। একই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজের পরিচালনা বোর্ডে জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) একজন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এবং ভবিষ্যতে শিক্ষার্থী ভর্তির সময় উপজাতি কোটা বাড়ানো হবে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে ওই সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ প্রকাশের পরদিন রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রেখে ওই মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়া ছাত্রছাত্রীদের দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে বণ্টন করে দেয়ার জন্য দাবি জানিয়ে পার্বত্য রাঙ্গামাটি আসনের সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদার একটি প্রেসবিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছেন।
এর আগেও (গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫) স্বাস্থ্যমন্ত্রী দ্রুত রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজের ক্লাস শুরুর উদ্যোগ নিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।